জাতীয় সংসদ নির্বাচন
প্রকাশ: ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ১৩:৪৭
দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর বিপক্ষে কাজ করা এবং দলীয় শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ বিএনপির ২৫ জন নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কেন্দ্রীয় নির্দেশনা উপেক্ষা করে এসব নেতা দলীয় প্রার্থীর বিরোধিতা করেন এবং ভিন্ন প্রার্থীর পক্ষে সক্রিয়ভাবে কাজ করেন। বিষয়টি জেলা ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের নজরে এলে তদন্ত সাপেক্ষে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
বহিষ্কৃত নেতাদের মধ্যে রয়েছেন নবীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের দায়িত্বশীলরা।
বিএনপির ১ নম্বর ইউনিয়ন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে- সহসাধারণ সম্পাদক মো. সুয়েব তালুকদার, সহসাংগঠনিক সম্পাদক সামছুল হক, যুববিষয়ক সম্পাদক মো. দুলাল মিয়া এবং সদস্য স্মৃতি ভূষণ চৌধুরী, সজল দাশ, মানিক দাশ ও মো. জাকির মিয়াকে।
৩ নম্বর ইউনিয়ন থেকে- যুগ্ম সম্পাদক মোশাহিদ আলী, সহসাংগঠনিক সম্পাদক মো. আব্দুস শহিদ এবং সদস্য জিল্লুর রহমান ও মুহিবুর রহমানকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
৪ নম্বর ইউনিয়ন থেকে বহিষ্কার হয়েছেন- সিনিয়র সহসভাপতি ফজলুল হক চৌধুরী, সহসভাপতি খলিলুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আরজু মিয়া এবং সদস্য আব্দুল মমিন ও মো. আনহার মিয়া।
৫ নম্বর ইউনিয়ন থেকে সদস্য শফিকুজ্জামান রুহেল, নুর উদ্দিন, শামছুদ্দিন এবং ছাত্রদল ৫ নম্বর ইউনিয়নের সহসভাপতি এমদাদুল হক মিলনকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
এ ছাড়া ৭ নম্বর ইউনিয়ন থেকে সদস্য মো. সজ্জাদ মিয়া এবং ১০ নম্বর ইউনিয়ন থেকে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মঈনুল ইসলাম বাচ্চু, সিনিয়র সহসভাপতি শাহ আমজাদ আলী ও সদস্য কাজী সুন্দর আলী এবং মুহিব খানকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
এ বিষয়ে নবীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিদুর রহমান মজিদ বলেন, দলীয় শৃঙ্খলার প্রশ্নে বিএনপি আপসহীন। কেউ দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে কাজ করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে বহিষ্কারের এ সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে নবীগঞ্জের রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা চলছে। নির্বাচন ঘনিয়ে আসায় দলের শৃঙ্খলা জোরদারে নেওয়া এই সিদ্ধান্তকে তৃণমূলের অনেক নেতাকর্মী ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন।
সিলেট থেকে আরো পড়ুন