Eibela News আজ মঙ্গলবার | ০৩ মার্চ ২০২৬ | ... |
সর্বশেষ
রমজানের চাঁদ দেখা গেছে, কাল থেকে রোজা | সরকারি গাড়িতে চড়বেন না প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান | স্মৃতিসৌধের পরিদর্শন বইয়ে যা লিখেছেন প্রধানমন্ত্রী | এলডিসি উত্তরণ পেছানোর উদ্যোগ নেবে নতুন সরকার: বাণিজ্যমন্ত্রী | ড. খলিলুরকে অভিনন্দন জানালো চীন-ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা | জুলাই সনদ ‘অবৈধ ও সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক’ ঘোষণা চেয়ে রিট | জাতীয় স্মৃতিসৌধে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন | তারেক রহমানকে শুভকামনা জানিয়ে স্ত্রী, কন্যাসহ ভারত সফরের আমন্ত্রণ নরেন্দ্র মোদির | ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী, কম সিলেটে | নতুন মন্ত্রিসভায় কে কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেলেন

সাহিত্য

নিল গেইম্যান : ভালো লেখা অনুশীলনের ৮টি ধারা

প্রকাশ: ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ১৬:৩৮

নিল গেইম্যান (১ নভেম্বর ১৯৬০) এতই জনপ্রিয় যে তাকে সাহিত্যমহলের 'রকস্টার' বলা হয়। তিনি বিচিত্র ধরনের বইপত্র লিখেছেন, বিশেষ করে সায়েন্স ফিকশান, উপন্যাসের আঙ্গিকে নানান ধরনের ফ্যান্টাসি, শিশুতোষ বই, গ্রাফিক উপন্যাস, কমিক বই এবং চলচ্চিত্রের জন্যও কাজ করেছেন। নিজের লেখার নিজস্বধারা তৈরির কাজের মধ্যে আছে কেরোলাইন, দ্য গ্রেইভইয়ার্ড বুক এবং স্যান্ডম্যান সিরিজ।

ভালো লেখা আয়ত্তের জন্য অনুশীলনের ৮টি ধারা:

১. লিখুন।

২. একটি শব্দের পর আরেকটা শব্দ বসিয়ে যান। যথাযথ শব্দটি খুঁজে নিন এবং সেটিকে লিখুন।

৩. যা লিখছেন সেটি শেষ করুন। যা কিছু আপনি শুরু করবেন সেটিকে শেষ করুন। ধরবেন তো শেষ করে তবে ছাড়বেন।

৪. লেখা শেষে প্রথমে সেটি এক পাশে সরিয়ে রাখুন। পরে এমন ভাবে পড়ুন যেন আপনি আগে কখনোই এটা পড়েনইনি। আবার এমন কোনো বন্ধুকে দিয়েও লেখাটি পড়াতে পারেন, যার মতামতকে আপনি সম্মান করেন এবং যিনি নিজেই ঠিক এই ধরনের লেখা পছন্দ করেন।

৫. মনে রাখবেন: যখন লোকজন আপনাকে ভুল কিছু বলবে, বা তাদের জন্য যখন কোনো কাজই আপনি করছেন না, তখন তারা আসলে আপনাকে নিয়ে সবসময় সঠিক কথাগুলি বলে। যখন তারা বলবে যে তারা ঠিক কী চিন্তা করে এবং সেটিকে কীভাবে আপনি সম্পন্ন করতে পারতেন—তখনই তারা আপনার বেলায় সবসময় ভুল কাজটি করে থাকে।

৬. সংবন্ধন বা দৃঢ়-স্থির সিদ্ধান্তে আসুন। মনে রাখবেন, আগে নয়তো পরে, এবং কোনোরকমের নিখুঁতত্ব পাওয়ার আগেই, আপনাকে লেখাটা একটা সময়ে ছেড়ে দিতে হবে এবং নতুন লেখার পথে এগিয়ে যেতে হবে। পরের লেখার কাজটি শুরু করতে হবে। নিখুঁতত্বে পরিপূর্ণ হওয়ার মানে দিগন্তের দিকে ছুটতে থাকার মতো। সুতরাং এগিয়ে যান।

৭. নিজের কৌতুকে হাসুন।

৮. লেখার আসল নিয়ম হলো এই যে, আপনি যদি এটা যথেষ্ট নিশ্চয়তা এবং আস্থার সঙ্গে চালু রাখেন, তাহলে আপনি নিজের ইচ্ছা মতো যা খুশি লিখতে পারবেন। (এটা হয়ত জীবনের জন্যও একটি নীতি, যেমনটা লেখার জন্যও, তবে লেখার জন্য এটা বেশি বাস্তব।) সুতরাং নিজের গল্পটি লিখুন যেন এরচেয়ে জরুরি আর কিছু নেই। লিখুন সততার সঙ্গে, এবং আপনার সাধ্যের সর্বোচ্চটা দিয়ে লিখুন। লেখার জন্য আমি নিশ্চিত নই এছাড়া আর কোনো নিয়ম আছে কিনা। থাকলেও আর কোনোটাতেই খুব একটা কিছু যায় আসে না।

মূল : দ্য গার্ডিয়ান

 

সাহিত্য থেকে আরো পড়ুন