Eibela News আজ মঙ্গলবার | ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ... |
সর্বশেষ
প্রকাশ্যে ক্ষমা না চাইলে জামায়াতের প্রার্থী খালিদুজ্জামানকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি | `তারেক রহমান বিএনপির দায়িত্ব দিয়েছেন, আমি আওয়ামী লীগেরও দায়িত্ব নিলাম' | ৯ ফেব্রুয়ারি বিটিভিতে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান | বেকার ভাতা যুবকদের জন্য অপমানজনক, আমরা কর্মসংস্থান গড়ব: জামায়াত আমির | জামায়াত কয়দিন পর হয়তো বলবে, গোলাম আজম ছিলেন স্বাধীনতার ঘোষক: রিজভী | র‍্যাবের নতুন নাম হচ্ছে ‘এসআইএফ’; শিগগিরই আদেশ জারি | পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত সঞ্চয়পত্রে উৎসে কর ৫ শতাংশই থাকছে | শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ৬৬৩টি মামলার হিসাব দিল টিআইবি, ৪৫৩টি হত্যা মামলা | জুলাই গ্রাফিতির নতুন ১০ টাকার নোট বাজারে আসছে আজ | রাখ তোদের ফ্যামিলি কার্ড, আমার মায়ের মর্যাদা আগে: শফিকুর রহমান

স্বদেশ

চট্টগ্রাম বন্দরে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি ঘোষণা

প্রকাশ: ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ১৮:৩১

নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) আরব আমিরাতভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ‘ডিপি ওর্য়াল্ডকে’ ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে চট্টগ্রাম বন্দরে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি ঘোষণা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়ক মো. ইব্রাহিম খোকন। তিনি বলেন, ‘সরকার যতক্ষণ ইজারা প্রক্রিয়া থেকে ফিরে আসবে না ততক্ষণ এ কর্মসূচি চলবে।’

কর্মবিরতির কারণে মঙ্গলবারও বন্দরের ভেতরে কোনও কাজ হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।

এনসিটি পরিচালনার ভার আরব আমিরাতভিত্তিক অপারেটর ‘ডিপি ওয়ার্ল্ড’কে দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে শনি ও রবিবার ৮ ঘণ্টা করে কর্মবিরতির ডাক দেয় বন্দর জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল। প্রথম দিনে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের নামে কর্মসূচি দেওয়া হলেও সেদিন বিকালে জানানো হয়, তাদের এ কর্মসূচি চলবে ‘বন্দর রক্ষা সংগ্রম পরিষদ’-এর নামে।

সোমবারও সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ৮ ঘণ্টা কর্মবিরতি পালন করেন বন্দরের শ্রমিক-কর্মচারীরা। এরপর মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে ২৪ ঘণ্টার কর্মবিরতি চলার মধ্যে কর্মসূচি অনির্দিষ্টকাল চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা এলো।

এ কর্মবিরতির করাণে বিভিন্ন জেটিতে অবস্থানরত জাহাজ থেকে কনটেইনার ও খোলা পণ্য ওঠানো-নামানোসহ সব ধরনের কাজ বন্ধ আছে।

সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়ক ও বন্দর জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের নেতা মো. হুমায়ুন কবীর বলেন, ‘আজ মঙ্গলবার সকাল থেকে শ্রমিক-কর্মচারীরা আমাদের দাবির সঙ্গে একমত হয়ে বন্দরের ভেতরে কোনও কাজে অংশ নিচ্ছেন না। এদিন কোনও জাহাজ আসছে না বা বন্দর ছেড়ে যাচ্ছে না। বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম একপ্রকার বন্ধই বলা যায়।’

প্রথমদিন শনিবার কর্মবিরতির পর বন্দর কর্তৃপক্ষ আন্দোলনকারী চার জনকে তাৎক্ষণিক বদলি করে। একদিনে কর্মবিরতিতে রাজস্ব ক্ষতি নিরূপণ করতে ছয় সদস্যের একটি কমিটিও করে তারা। রবিবার আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত আরও ১২ জনকে বদলি করা হয়। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) আন্দোলনরত আরও ১৫ কর্মচারীকে নতুন করে মোংলা ও পায়রা বন্দরে বদলি করা হয়েছে। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের এক অফিস আদেশে এ বদলির কথা জানানো হয়।

 

স্বদেশ থেকে আরো পড়ুন


বিজ্ঞাপন