Eibela News আজ মঙ্গলবার | ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ... |
সর্বশেষ
প্রকাশ্যে ক্ষমা না চাইলে জামায়াতের প্রার্থী খালিদুজ্জামানকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি | `তারেক রহমান বিএনপির দায়িত্ব দিয়েছেন, আমি আওয়ামী লীগেরও দায়িত্ব নিলাম' | ৯ ফেব্রুয়ারি বিটিভিতে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান | বেকার ভাতা যুবকদের জন্য অপমানজনক, আমরা কর্মসংস্থান গড়ব: জামায়াত আমির | জামায়াত কয়দিন পর হয়তো বলবে, গোলাম আজম ছিলেন স্বাধীনতার ঘোষক: রিজভী | র‍্যাবের নতুন নাম হচ্ছে ‘এসআইএফ’; শিগগিরই আদেশ জারি | পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত সঞ্চয়পত্রে উৎসে কর ৫ শতাংশই থাকছে | শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ৬৬৩টি মামলার হিসাব দিল টিআইবি, ৪৫৩টি হত্যা মামলা | জুলাই গ্রাফিতির নতুন ১০ টাকার নোট বাজারে আসছে আজ | রাখ তোদের ফ্যামিলি কার্ড, আমার মায়ের মর্যাদা আগে: শফিকুর রহমান

গণমাধ্যম

গণমাধ্যম কমিশন অধ্যাদেশকে অন্তর্বর্তী সরকারের ‘বিদায়ী পরিহাস’ বলছে টিআইবি

প্রকাশ: ৩১ জানুয়ারী ২০২৬ ২০:২৯

খসড়া ‘জাতীয় গণমাধ্যম কমিশন’ ও ‘সম্প্রচার কমিশন’ অধ্যাদেশকে দেশে মুক্ত গণমাধ্যম বিকাশে জনপ্রত্যাশার প্রতি অন্তর্বর্তী সরকারের ‘বিদায়ী পরিহাস’ হিসেবে অভিহিত করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সংস্থাটির মতে, সংস্কার কমিশনের সুপারিশ উপেক্ষা করে এই খসড়ার মাধ্যমে গণমাধ্যম খাতে আমলাতান্ত্রিক নিয়ন্ত্রণ আরোপের অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।

শনিবার (৩১ জানুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে টিআইবি এমন মন্তব্য করে।   

বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশে একটি স্বাধীন ও কার্যকর গণমাধ্যম কমিশনের দাবি দীর্ঘদিনের। গণমাধ্যম সংস্কার কমিশন ১০ মাস আগে তাদের প্রতিবেদন জমা দিলেও সরকার সুপারিশ বাস্তবায়নে নির্বিকার ছিল। মেয়াদের শেষ পর্যায়ে এসে সরকার তড়িঘড়ি করে যে দুটি নতুন সরকারি সংস্থা প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করেছে, তা গভীর হতাশার জন্ম দিয়েছে। টিআইবি মনে করে, জনপ্রত্যাশা উপেক্ষা করে মাত্র তিন দিন সময় দিয়ে মতামত আহ্বান করা সরকারের এক ধরনের ‘অন্তর্ঘাতমূলক অপতৎপরতা’। 

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, “প্রস্তাবিত কমিশন দুটির গঠন, কমিশনারদের পদমর্যাদা ও ক্ষমতা এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনা— সবকিছুই সম্পূর্ণভাবে সরকারের, বিশেষ করে আমলাতন্ত্রের কর্তৃত্বাধীন রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। এটি মুক্ত গণমাধ্যম ও স্বাধীন সম্প্রচার বিকাশের প্রত্যাশার প্রতি পরিহাসমূলক আচরণের দৃষ্টান্ত।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদজুড়ে গণমাধ্যমের ওপর রাষ্ট্রীয় ও অরাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণ এবং সহিংসতা রোধে সরকার ব্যর্থ হয়েছে। এমনকি অনেক ক্ষেত্রে সরকারের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ইন্ধনদাতার ভূমিকাও স্পষ্ট ছিল। 

বিদ্যমান প্রেস কাউন্সিলের সীমাবদ্ধতা দূর করতে সংস্কার কমিশন একটি অভিন্ন ও নিয়ন্ত্রণমুক্ত স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনের সুপারিশ করেছিল। কিন্তু সরকার তা উপেক্ষা করে দুটি ভিন্ন ভিন্ন নিয়ন্ত্রণমূলক প্রতিষ্ঠান গঠনের পথে হাঁটছে। টিআইবি মনে করে, সরকারি কর্তৃত্বের বাইরে একটি একক স্বাধীন কমিশন গঠনই বর্তমান সময়ের দাবি। 

খসড়া দুটিকে দ্রুত অধ্যাদেশে পরিণত না করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে টিআইবি। একই সঙ্গে আসন্ন নির্বাচনের পর নতুন সংসদ গঠনের মাধ্যমে একটি প্রকৃত স্বাধীন ও নিরপেক্ষ অভিন্ন গণমাধ্যম কমিশন গঠনের জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিও আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি। 

 

গণমাধ্যম থেকে আরো পড়ুন


বিজ্ঞাপন