Eibela News আজ মঙ্গলবার | ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ... |
সর্বশেষ
প্রকাশ্যে ক্ষমা না চাইলে জামায়াতের প্রার্থী খালিদুজ্জামানকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি | `তারেক রহমান বিএনপির দায়িত্ব দিয়েছেন, আমি আওয়ামী লীগেরও দায়িত্ব নিলাম' | ৯ ফেব্রুয়ারি বিটিভিতে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান | বেকার ভাতা যুবকদের জন্য অপমানজনক, আমরা কর্মসংস্থান গড়ব: জামায়াত আমির | জামায়াত কয়দিন পর হয়তো বলবে, গোলাম আজম ছিলেন স্বাধীনতার ঘোষক: রিজভী | র‍্যাবের নতুন নাম হচ্ছে ‘এসআইএফ’; শিগগিরই আদেশ জারি | পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত সঞ্চয়পত্রে উৎসে কর ৫ শতাংশই থাকছে | শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ৬৬৩টি মামলার হিসাব দিল টিআইবি, ৪৫৩টি হত্যা মামলা | জুলাই গ্রাফিতির নতুন ১০ টাকার নোট বাজারে আসছে আজ | রাখ তোদের ফ্যামিলি কার্ড, আমার মায়ের মর্যাদা আগে: শফিকুর রহমান

বিদেশ

যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইউরোপকে দায়ী করলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট

বিক্ষোভে উসকানি দেওয়ার অভিযোগ

প্রকাশ: ৩১ জানুয়ারী ২০২৬ ২০:২০

ইরানের সম্প্রতি সরকারবিরোধী বিক্ষোভে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইউরোপীয় দেশগুলো উত্তেজনা উসকে দিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান। শনিবার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক ভাষণে এমনটাই দাবি জানিয়েছেন পেজেশকিয়ান। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

ভাষণে পেজেশকিয়ান বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এবং ইউরোপীয় নেতারা ইরানের অভ্যন্তরীণ সমস্যার সুযোগ নিয়ে বিভাজন উসকে দিয়েছেন। তাদের কারণে কিছু নিরীহ মানুষ এই আন্দোলনে জড়িয়ে পড়ে।

পেজেশকিয়ান আরও বলেছেন, এটি কেবল একটি সামাজিক বিক্ষোভ ছিল না। ইরানের অর্থনৈতিক সংকটকে কাজে লাগিয়ে বিদেশি শক্তিগুলো দেশে অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে এবং দেশটিকে ‘ভাঙনের পথে’ ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করেছে।

এদিকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রকাশ্যে বিক্ষোভকারীদের প্রতি সমর্থন জানিয়ে বলেছেন, ইরান যদি বিক্ষোভকারীদের হত্যা অব্যাহত রাখে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত। মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ট্রাম্প সামরিক বিকল্পগুলো পর্যালোচনা করছেন, যদিও এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

উল্লেখ্য, গত ডিসেম্বরের শেষ দিকে শুরু হওয়া দুই সপ্তাহব্যাপী দেশজুড়ে বিক্ষোভের সূচনা হয় ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকট, উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে। তবে নিরাপত্তা বাহিনীর কঠোর দমন-পীড়নের পর বিক্ষোভ অনেকটাই স্তিমিত হয়ে আসে।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ জানিয়েছে, এই দমন-পীড়নে অন্তত ৬ হাজার ৫৬৩ জন নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ৬ হাজার ১৭০ জন বিক্ষোভকারী এবং ২১৪ জন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য। যদিও ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি তুরস্কের একটি টেলিভিশন চ্যানেলকে জানিয়েছেন, নিহতের সংখ্যা প্রায় ৩ হাজার ১০০, যার মধ্যে ২ হাজার নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য।

 

বিদেশ থেকে আরো পড়ুন


বিজ্ঞাপন