পশ্চিমবঙ্গের অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীকে অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে নামিয়ে দিয়ে হেনস্তার অভিযোগে জ্যোতিষী তনয় শাস্ত্রীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বনগাঁ থানায় দায়ের করা মিমির অভিযোগের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এসময় স্থানীয়দের বাধার মুখে পড়তে হয় পুলিশকে।
থানায় অভিযোগপত্রে মিমি চক্রবর্তী জানান, বনগাঁ পৌরসভার নয়াগোপালগঞ্জ যুবক সংঘের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন তিনি। সময়মত তিনি মঞ্চে ওঠার খানিক পর ক্লাবের সমদস্য তনয় শাস্ত্রী মঞ্চে উঠে পড়েন। গানের মাঝপথে বাজে ব্যবহার করে হঠাৎ তাকে মঞ্চ থেকে নামিয়ে দেওয়া হয়। এতে তিনি অপমানিত বোধ করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করেন মিমি।
মিমির অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে তিনদিন পর তনয় শাস্ত্রীর বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে বনগাঁ থানার পুলিশ। এ সময় পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে আরও দুজনকে আটক করা হয়।
এদিকে মিমির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ক্লাব কর্মকর্তা রাহুল বসু ও শোভন দাস। পাল্টা অভিযোগ তুলে তারা বলেন, ‘মিমি চক্রবর্তীর সঙ্গে কোনো অসম্মানজনক আচরণ করা হয়নি। তিনি এক ঘণ্টা দেরিতে, রাত সাড়ে ১১টার পর মঞ্চে ওঠেন। প্রশাসনের দেওয়া সময়সীমা এবং মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে ঠিক রাত ১২টায় অনুষ্ঠান বন্ধ করা হয়। মিমি মঞ্চে থাকাকালীন অনুষ্ঠান বন্ধের ঘোষণা তাঁকে অসম্মানজনক মনে হতে পারে, কিন্তু তাঁকে সসম্মানেই বিদায় জানানো হয়েছে।
এদিকে ভারতীয় গণমাধ্যম টিভি নাইনের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে মিমি চক্রবর্তী বলেন, ‘যে দোষ করে, সে শাস্তি পাবে। একটি মেয়েকে হেনস্তার ঘটনা গুরুত্ব না দিয়ে বিষয়টি ঘুরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তোলা হয়েছে যে আমি দেরিতে অনুষ্ঠানস্থলে গিয়েছিলাম-এই অভিযোগ সঠিক নয়।’
আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.