প্রকাশিত: ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৩:২৯ (মঙ্গলবার)
সুনামগঞ্জে শেষবেলায় দুটি আসনে বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র দাখিল শেষের একদিন আগে পূর্বের মনোনীত প্রার্থী রেখেই সুনামগঞ্জের দুইটি আসনে নতুন দুই প্রার্থীকে মনোনয়ন দিয়েছে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি। সুনামগঞ্জ-১ আসনে কেন্দ্রীয় কৃষকদলের সহ সাধারণ সম্পাদক আনিসুল হককে রেখে জেলা বিএনপির সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল ও সুনামগঞ্জ-২ আসনে জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি নাসির চৌধুরীকে রেখে জেলা বিএনপির উপদেষ্টা তাহির রায়হান চৌধুরীকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।

রোববার (২৮ ডিসেম্বর) রাতে দলের মহাসচিব মীর্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে মনোনয়ন ঘোষণা দেয়ার বিষয়টি দাবি করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানান দেন কামরুজ্জামান ও তাহির রায়হান চৌধুরী। এনিয়ে সুনামগঞ্জজুড়ে বিএনপির রাজনীতিতে চাঞ্চল‌্য সৃষ্টি হয়েছে। সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) শেষ দিনে নতুন ও পূর্বের দলীয় মনোনয়নপ্রাপ্ত সকল প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করবেন বলে জানা গেছে। 

এ বিষয়ে বিএনপির সিলেট বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক জিকে গউস বলেন, মনোনয়ন পাওয়ার বিষয়টি পাবেল আমাকে নিজে জানিয়েছি। তবে দল থেকে আমাদের জানানো হয়নি। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপার্সন দেশে রয়েছেন। তিনি বিষয়টি ভালো বলতে পারেন।

তিনি বলেন, নির্বাচনী বিবেচনায় ব‌্যাকআপ (বিকল্প) হিসেবে একাধিক আসনে একাধিক একের অধিক প্রার্থী দিচ্ছে। চূড়ান্ত প্রাথিতা ঘোষণার পূর্বে একজনকে প্রাথিতা প্রত্যাহারের নির্দেশ দিবে এমনটাই বিধান।

এদিকে মনোনয়ন পাওয়ার বিষয়ে কামরুজ্জামান কামরুল বলেন, দলের হাইকমান্ড থেকে আমার কাছ থেকে কিছু কাগজপত্র নেওয়া হয়। পরিবর্তে আমাকে জানানো হয় আমি মনোনয়ন পেয়েছি। পূর্বের প্রার্থী থাকবে না বাতিল এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,সেটি জানিনা তবে আমাকে বলা হয়েছে আমি নির্বাচন করছি।

অপর দিকে সুনামগঞ্জ-২ আসনে মনোনয়ন পাওয়ার ব্যাপারে তাহির রায়হান চৌধুরী মুঠোফোনে জানান, আমি মনোনয়নের চিঠি পেয়েছি। পূর্বের মনোনয়ন বাতিল কিনা সেটি পরিবর্তিতে জানা যাবে। দল আমাকে দল মূল্যায়ন করেছে এর জন্য আমি দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপার্সনের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

এদিকে নতুন করে মনোনয়ন ঘোষণার পর পর উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন প্রার্থীর সমর্থকরা। অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কামরুল ও তাহির রায়হান চৌধুরীকে অভিবাদন জানান। তবে একটি আসনে একাধিক প্রার্থী ঘোষণাকে নির্বাচনে বিদ্রোহ ঠেকানোর কৌশল হিসেবে মনে করছেস রাজনৈতিক সচেতনরা।